কেরানীগঞ্জ বাঘাশুরে রাতের আঁধারে কুকুর জবাই ও মাংস সরবরাহের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

 প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন   |   জনদুর্ভোগ

কেরানীগঞ্জ বাঘাশুরে রাতের আঁধারে কুকুর জবাই ও মাংস সরবরাহের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী


মাহফুজার রহমান : 

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাঘাশুর এলাকায় একটি বাসায় রাতের আঁধারে কুকুর এনে জবাই করে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও কাচ্চির দোকানে মাংস সরবরাহ করা হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর দাবি, “কুকুরের চিকিৎসা কেন্দ্র” পরিচয়ে চালানো হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো বৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম দেখা যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গভীর রাতে সিএনজি ও অটোরিকশায় করে কুকুর এনে একটি নির্জন বাসায় রাখা হতো। ওই বাসায় অন্তত ১০০ থেকে ১৫০টি কুকুর রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযুক্তরা ভোরের দিকে বস্তাভর্তি মাংস নিয়ে বাসা থেকে বের হতেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, তথাকথিত “কুকুরের চিকিৎসা কেন্দ্র” হলেও সেখানে কোনো প্রশিক্ষিত পশু চিকিৎসক আসতেন না এবং বাসার সামনে কোনো সাইনবোর্ডও ছিল না। বরং ওই বাসা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ আসত এবং অসুস্থ ও আহত কুকুর আনা হতো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম এটা হয়তো কুকুরের চিকিৎসার জায়গা। কিন্তু রাতের বেলায় যা চলত, তাতে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে বুঝতে পারি, এখানে অন্য কিছু হচ্ছে।”

আরেক স্থানীয় বলেন, “আমাদের ধারণা, এখান থেকে কাচ্চি ও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে মাংস সরবরাহ করা হতো। এটা খুবই ভয়ংকর এবং অমানবিক কাজ।”

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসী বলছেন, যদি সত্যিই অবৈধভাবে কুকুর জবাই ও মাংস সরবরাহ করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

জনদুর্ভোগ এর আরও খবর: