ওসমানীনগরে ভাপা পিঠা বিক্রি করেই চলে অনেকের সংসার
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:৪০ অপরাহ্ন | সারাদেশ
বিকাশ সূত্রধর (ওসমানীনগর ) :
শীতের পিঠাপুলি বাঙালির আদি খাদ্য সংস্কৃতির একটি অংশ। বাংলার চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতিতে পিঠা পায়েস বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
প্রতিবছরই শীতকালে দেশজুড়ে পিঠা তৈরির ব্যস্ততা চোখে পড়ে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে ধুম পড়ে যায় হরেক রকমের পিঠা বানানোর। কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর বা সন্ধ্যায় গাঁয়ের বধূরা চুলোর পাশে বসে পিঠা তৈরিতে কাটান ব্যস্ত সময়। শতাধিক ধরনের পিঠার প্রচলন রয়েছে বাংলাদেশে। তবে রাস্তার পাশের পিঠার দোকানগুলোতে কয়েক ধরনের পিঠা পাওয়া যায়। এরমধ্যে রয়েছে ভাপা পিঠা, নকশি পিঠা, চিতই পিঠা, রস পিঠা, ডিম-চিতই পিঠা, দোল পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা ইত্যাদি।
সিলেটের ওসমানীগরের বিভিন্ন বাজারের রাস্তায় রাস্তায় পিঠা বানিয়ে বিক্রি করেন বিক্রেতারা। পিঠা তৈরি করে সংসার চালাতে হয় অনেকেরই।
একেক ধরনের পিঠার দাম হয় একেক রকম। সাধারণত চিতই পিঠা পাঁচটাকা, নকশি পিঠা ১০ টাকা, ডিম-চিতই পিঠা ১৫ টাকা ও ভাপা পিঠা ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেখা যায়, চালের গুঁড়া, নারকেল, খেজুরের গুড় দিয়ে বানানো হয় ভাপা পিঠা। গোল আকারের এ পিঠা পাতলা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে ঢাকনা দেয়া হাঁড়ির ফুটন্ত পানির ভাপ দিয়ে তৈরি করা হয়। এ কারণেই এর নাম ভাপা পিঠা।
এদিকে চালের গুঁড়া পানিতে গুলিয়ে মাটির হাঁড়িতে বিশেষ উপায়ে তৈরি করা হয় চিতই পিঠা। অতি সাধারণ এই পিঠাটি গুড় বা ঝাল শুঁটকি ভর্তা দিয়ে খেতে খুবই মজা। তাই চিতই পিঠা বিক্রি হয় শুটকি, মরিচ, ধনে পাতাসহ হরেক রকমের ভর্তা দিয়ে। তবে অধিকাংশ বিক্রেতারা জানান আগের মত এখন আর লাভ হয় না সবকিছুর দাম বাড়ার কারণে লাভের অংশ কমে আসছে।

