প্যাকেজিং খাত সঠিক নীতিসহায়তা পেলে পোশাককেও ছাড়িয়ে যাবে

 প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন   |   অর্থ ও বাণিজ্য

প্যাকেজিং খাত সঠিক নীতিসহায়তা পেলে পোশাককেও ছাড়িয়ে যাবে

দেশে টেকসই প্যাকেজিং খাত গড়ে তুলতে প্রয়োজন ব্যবসাবান্ধব নীতি। সেজন্য নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে হবে। দেশে টেকসই প্যাকেজিং খাত গড়ে তুলতে প্রয়োজন ব্যবসাবান্ধব নীতি। সেজন্য নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে হবে। বর্ষপণ্য হিসেবে এ খাতের এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। সঠিক নীতিসহায়তা পেলে এটি ভবিষ্যতে তৈরি পোশাক খাতকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। গতকাল গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং এক্সপো (গ্যাপেক্সপো)-২০২৬ ও গার্মেন্ট টেকনোলজি বাংলাদেশ (জিটিবি)-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দেশের বৃহত্তম গার্মেন্ট প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজনটি করে এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)।


সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক বাণিজ্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এ খাতের উদ্যম ও সক্ষমতা দেখে আমি আশাবাদী। গত অর্থবছরে প্যাকেজিং ও অ্যাকসেসরিজ খাত থেকে রফতানি হয়েছে ৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সঠিক সুযোগ পেলে এ খাত ভবিষ্যতে পোশাক খাতকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ভবিষ্যতে সরকার গঠন করলে এ খাতের সব সমস্যা সমাধানে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকবে বিএনপি।’


এ সময় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, ‘নিজেদের স্বয়ংসম্পূর্ণ করার কোনো বিকল্প নেই। আমরা এখন প্যাকেজিং ও অ্যাকসেসরিজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও কিছু নীতিমালা আমাদের শিল্পকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফ্রি অব কস্ট (এফওসি) আমদানির সুবিধা ১০০ শতাংশ করা হলে সব পণ্য বাইরে থেকে আসবে, ফলে দেশীয় কারখানাগুলো টিকবে না।


অর্থ ও বাণিজ্য এর আরও খবর: